• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে ব্যবসায়ীর হারিয়ে যাওয়া ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার

সিসি নিউজ।। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবসায়ীর হারিয়ে যাওয়া ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে নীলফামারী সদর থানা পুলিশ। আজ শনিবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উদ্ধারকৃত টাকা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের হাতে তুলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুরুল। এসময় সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার, পরিদর্শক (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র মন্ডলসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ার ধুনটে। সে ওই উপজেলার চৌকিবাড়ি এলাকার মৃত আমীর হামজার ছেলে। তিনি নীলফামারী এলাকায় ভুট্টা ক্রয় করতে এসেছিলেন।

পুলিশ জানায়, সকাল ১১ টার দিকে ওই ব্যবসায়ী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে টাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অবগত করেন। তিনি জানান নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কানাইকাটা এলাকায় চায়ের দোকানে ভুলে ব্যাগ রেখে আসেন। পরে ব্যাগটি আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হারিয়ে যাওয়া ব্যাগে ১৫ লাখ টাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র ছিল।

এ সংবাদটি পাওয়া মাত্র নীলফামারী সদর থানার মোবাইল টিমের দায়িত্ব থাকা এসআই রনি কুমার পাল ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক উক্ত এলাকার গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। পরে বিকেল ৩ টার দিকে চায়ের দোকানদার জবেদ আলীর বাড়ি থেকে টাকার ব্যাগটি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় সদর থানায় সকলের উপস্থিতিতে টাকার প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুট্টা ক্রয়ের জন্য সাথে থাকা ১৫ লাখ টাকার ব্যাগটি হারানোর পর ৯৯৯-এ ফোন করি। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে হারানো টাকাটা ফিরে পেয়েছি। এজন্য নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।

নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুরুল বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠাই। বিভিন্ন যায়গায় তল্লাশি চালিয়ে চার ঘন্টার ব্যবধানে টাকাটা উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে সন্ধ্যায় টাকার প্রকৃত মালিক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ